কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের অফিসিয়াল লোগো প্রকাশ

প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৩

কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের অফিসিয়াল লোগো প্রকাশ

বাংলায় নিজেদের অফিসিয়াল লোগো প্রকাশ করেছে কুষ্টিয়ার কৃষি উন্নয়ন বিষয়ক সামাজিক সংগঠন ও লাইব্রেরি কৃষকের বাতিঘর। নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার পর এবারই প্রথম সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের লোগো উন্মোচন করলো।

বুধবার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের পক্ষ থেকে। এর আগে সোমবার (১২ জুন) রাত ১০টা ০১ মিনিটে সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেইজে লোগোটি প্রকাশ করা হয়।

উন্মোচনের পাশাপাশি নতুন বাংলা লোগো ফেসবুকে কৃষকের বাতিঘরের অফিসিয়াল পেইজ এবং গ্রুপগুলোতেও প্রোফাইল-কাভার ফটো হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবী এবং নির্বাহী ও সাধারণ সদস্যরা নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও নতুন লোগো প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ সাগর বলেন, কুষ্টিয়া জেলার কৃষির উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে কৃষকের বাতিঘর। প্রতিষ্ঠার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেদের কাজের মাধ্যমে কৃষকের বাতিঘর সমাজে তার জায়গা করে নিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সংগঠনগুলোর তালিকাতেও স্থান পেয়েছি যা আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। তবে কৃষকের বাতিঘর কার্যক্রম পরিচালনার পর এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে লোগো প্রকাশ করা হলো। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।

তিনি জানান, লাল-সবুজ এবং আমাদের ঐতিহ্যের গ্রামীণ কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে এই লোগোটি অলংকরণ করেছেন দেশের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী চারু পিন্টু। এছাড়া “মাটির গভীরের জ্ঞান অঙ্কুরিত হোক” বাক্যের একটি প্রতিপাদ্যও যুক্ত করা হয়েছে লোগোর সঙ্গে। লোগোটিতে সূর্যের আভায় মাথাল মাথায় একটি কৃষককে জমিতে গরু দিয়ে লাঙল দেওয়ার দৃশ্য দেখা যাবে। এই সব কৃষক, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ, আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তাদের জন্য আরও বেশি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী।

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা গ্রামে ‘কৃষকের বাতিঘর’ সংগঠনটি কাজ করছে কৃষকদের সহায়তায়। স্থানীয় একদল তরুণ-তরুণী এর প্রাণ। এ স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন কৃষকদের আধুনিক কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও প্রাণ-প্রকৃতি সচেতন হয়ে চাষাবাদের জন্য সহায়তার পাশাপাশি তাদের মধ্যে শিক্ষা-সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা চলে যান কৃষকের কাছে। কখনো বাড়ির আঙিনায়, কখনো ফসলের মাঠে বসে বই পড়ে শোনান নিরক্ষর কৃষকদের। সহজপাঠের পাশাপাশি চলে নানা বিষয়ে কথকতা আর আড্ডা। যে গ্রামীণ সমাজ থেকে লেখাপড়া শিখে এ তরুণ-তরুণীরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছেন, তারাই এখন সেই সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ