কৃষকের বাতিঘরের আয়োজনে সেচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ২:০২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২২

কৃষকের বাতিঘরের আয়োজনে সেচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া: কৃষকের বাতিঘর লাইব্রেরী ও সংগঠনের উদ্যোগে কৃষকদের জন্য ফসলের জমিতে সেচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন সময়ে ফসলে কতটুকু পানি বা সেচ প্রয়োজন, সেসব বিষয় নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে বই পড়ে শোনানো এবং কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) দিনব্যাপী কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়েন বিভিন্ন গ্রামের ফসলের মাঠে কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তারা শস্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য পানি সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহারের কৌশল, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার কলাকৌশল, ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানির সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে পানি সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা, পানি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সহ বিভিন্ন বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ সেবা দেন।

কার্যক্রমে অংশ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন কৃষকের বাতিঘরের কার্যনির্বাহী সদস্য জিনিয়া আক্তার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা অনেকটাই সেচ নির্ভরশীল। শুধুই ধানের আবাদ নয়; সব ফল-ফসলেই ক্ষেত্রমতে পানি সেচের প্রয়োজন হয়। জমির উর্বরতা বজায় রাখতেও পরিমিত সেচ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেচ ব্যবস্থার জন্য সেচের মাধ্যমে প্রয়োজনের বেশি পানি উঠালে ফসলের উৎপাদন কম হয় ও জমির উর্বরতা হ্রাস পায়। তেমনি পানির পরিমাণ কম থাকলেও একই সমস্যা দেখা যায়। তাই আমরা কৃষকদের সঠিকভাবে সেচ পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করছি।

কৃষকের বাতিঘরের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ সাগর বলেন, সঠিক পদ্ধতির সেচ ব্যবস্থাপনা অনুসরণের মাধ্যমে ধানের ফলনের ক্ষতি এড়ানো যায়। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে ফসলে সেচ ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই আমরা এটির গুরুত্ব অনুধাবন করেই কৃষকদের সেচ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবহিতকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করি।

দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত ছিলেন লাইব্রেরী ও সংগঠনের সভাপতি মো. সামসুল হক, সহ-সভাপতি কাঞ্চন কুমার, কোষাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান রতন, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, মো. জাহিদ হাসানসহ অন্যরা। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করে অ্যাগ্রো অ্যালকেমি এবং কৃষিবিডি। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক এই পরামর্শ সেবা নিয়মিত চলমান থাকবে বলেও জানানো হয় কৃষকের বাতিঘরের পক্ষ থেকে।

এইচএমএস/

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ