বারি আলু-১০

প্রকাশিত: ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২২

বারি আলু-১০
  • জাত এর নামঃ

    বারি আলু-১০

  • আঞ্চলিক নামঃ

    কুফরী সিন্দুরী

  • অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ

    বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

  • জীবনকালঃ

    ৯০-৯৫ দিন দিন

  • সিরিজ সংখ্যাঃ

    ১০

  • উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টরঃ

    ২০-৩০ টন কেজি

  • উৎপাদন ( সেচ ছাড়া ) / প্রতি হেক্টরঃ

    ০ কেজি

  • জাত এর বৈশিষ্টঃ

     

    1. ১। গাছ : কিছুটা ছড়ানো, কাণ্ডের সংখ্যা কম, পাতা সবুজ কিন্তু কাণ্ড হালকা বেগুনী। কম সার প্রয়োগেও জাতটি ভাল ফলন দেয়।
    2. ২। আলু : গোলাকার, মাঝারী আকৃতির, ত্বক মসণ ও লাল বর্ণের, শাঁস ফ্যাকাসে হলুদ, চোখ গভীর।
    3. ৩। শুষ্ক পর্দাথ : ২০.৩০ ± ১%।
    4. ৪। অঙ্কুর : প্রথমে ডিম্বাকার পরে মোচাকৃতি, গাঢ় লাল-বেগুনী, কিঞ্চিৎ লোমশ।
    5. ৫। অঙ্কুরোদগম : সাধারণ তাপমাত্রায় ৬০-৬৫ দিনে অঙ্কুর (স্প্রাউট) বের হয়।
    6. ৬। বিশেষ বৈশিষ্ট্য : মোজাইক রোগ প্রবণ, তবে অন্যান্য রোগবালাই সহিষ্ণু ।

     

  • চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

     

    1. ১ । বপনের সময় : উত্তরাঞ্চলে মধ্য- কার্তিক (নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ), দক্ষিণাঞ্চলে অগ্রহায়ণ ১ম সপ্তাহ থেকে ২য় সপ্তাহ (নভেম্বর মাসের মধ্য থেকে শেষ সপ্তাহ)।
    2. ২ । মাড়াইয়ের সময় : বপনের পর থেকে ৯০-৯৫ দিনের মধ্যে আলু উঠাতে হয়।
    3. ৩ । সার প্রয়োগ পদ্ধতি : গোবর ৮-১০ টন, ইউরিয়া ২৫০-৩৫০ কেজি, টিএসপি ১২০-১৫০ কেজি, এমওপি ২৫০-৩৫০ কেজি, জিপসাম ১০০-১২০ কেজি, জিংক সালফেট ৮-১০ কেজি, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ৮০-১০০ কেজি (অম্লীয় বেলে মাটির জন্য), বোরিক এসিড ৮-১০ কেজি (বেলে মাটির জন্য)। গোবর, অর্ধেক ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি, জিপসাম ওজিংক সালফেট (প্রয়োজনবোধে) রোপনের সময় জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর অর্থাৎ দ্বিতীয় বার মাটি তোলার সময় প্রয়োগ করতে হবে। অম্লীয় বেলে মাটির জন্য ৮০-১০০ কেজি/হেক্টর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরন ৮-১০ কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।