বারি আলু-৭

প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২২

বারি আলু-৭
  • জাত এর নামঃ

    বারি আলু-৭

  • আঞ্চলিক নামঃ

    ডায়ামন্ট

  • অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ

    বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

  • জীবনকালঃ

    ৯০-৯৫ দিন দিন

  • সিরিজ সংখ্যাঃ

  • উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টরঃ

    ২৫-৩৫ টন কেজি

  • উৎপাদন ( সেচ ছাড়া ) / প্রতি হেক্টরঃ

    ০ কেজি

  • জাত এর বৈশিষ্টঃ

     

    1. ১। গাছঃ সবল ও দ্রুত বর্ধনশীল, কাণ্ডের সংখ্যা কম কিন্তু লম্বা ও শক্ত, পাতা একটু বড় এবং গাঢ় সবুজ বর্ণের।
    2. ২। আলুঃ ডিম্বাকার, মাঝারী থেকে বড় আকৃতির, ত্বক মসৃণ, হালকা হলুদ বর্ণের, শাঁস ফ্যাকাসে হলুদ এবং চোখ অগভীর।
    3. ৩। শুষ্ক পর্দাথঃ ১৯.৮৮ ± ১ %।
    4. ৪। অঙ্কুরঃ প্রথমে গোলাকার পরে ব্যারেল আকৃতির হয়, রং ফ্যাকাসে লাল-বেগুনী, কিঞ্চিৎ লোমশ।
    5. ৫। অঙ্কুরোদগমঃ সাধারণ তাপমাত্রায় ৫০-৫৫ দিনে অঙ্কুর (স্প্রাউট) বের হয়।
    6. ৬। বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ মড়ক ও ভাইরাস রোগ প্রতিরোধী ।

     

  • চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

     

    1. ১ । বপনের সময় : উত্তরাঞ্চলে মধ্যে- কার্তিক (নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ), দক্ষিণাঞ্চলে অগ্রহায়ণ ১ম সপ্তাহ থেকে ২য় সপ্তাহ (নভেম্বর মাসের মধ্য থেকে শেষ সপ্তাহ)।
    2. ২ । মাড়াইয়ের সময় : বপনের পর থেকে ৯০-৯৫ দিনের মধ্যে আলু উঠাতে হয়।
    3. ৩ । সার প্রয়োগ পদ্ধতি : গোবর ৮-১০ টন, ইউরিয়া ২৫০-৩৫০ কেজি, টিএসপি ১২০-১৫০ কেজি, এমওপি ২৫০-৩৫০ কেজি, জিপসাম ১০০-১২০ কেজি, জিংক সালফেট ৮-১০ কেজি, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ৮০-১০০ কেজি (অম্লীয় বেলে মাটির জন্য), বোরিক এসিড ৮-১০ কেজি (বেলে মাটির জন্য)। গোবর, অর্ধেক ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি, জিপসাম ওজিংক সালফেট (প্রয়োজনবোধে) রোপনের সময় জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর অর্থাৎ দ্বিতীয় বার মাটি তোলার সময় প্রয়োগ করতে হবে। অম্লীয় বেলে মাটির জন্য ৮০-১০০ কেজি/হেক্টর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরন ৮-১০ কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।