কুষ্টিয়া ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০২১
বিশ্বে বছরে ৪০ থেকে ৫০ কোটি মেট্রিকটন ক্ষতিকর পোকামাকড় খায় বিভিন্ন ধরনের পাখি। সুইজারল্যান্ডের ব্রাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় এ তথ্য উপস্থাপন করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১০৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে তারা এ সংখ্যা হিসাব করেছেন। গবেষণাটির প্রধান ছিলেন মার্টিন নিফেলার।
‘দ্য সায়েন্স অব ন্যাচার’ নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা প্রতিবেদন। এতে বলা হয়, বনে থাকা পাখিরা ৭০ শতাংশ পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। যা মোট হিসাব করলে প্রতিবছর ৩০ কোটির মতো দাঁড়ায়। তৃণভূমি, ফসলি জমি, মরুভূমিতে থাকা পাখিরা বনে থাকা পাখির তুলনায় অনেক কম পরিমাণ পোকামাকড় খায়।
গুবরে পোকা, মাছি, পিঁপড়া, মথ, জাবপোকা, ঘাসফড়িং, ঝিঁঝিঁ পোকাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থোপোডা খায় পাখিরা। উদ্ভিদখেকো পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাখিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, বলছেন গবেষকরা।
পাখিরা সাধারণত চাষাবাদের মৌসুমে পোকামাকড় শিকার করে। এসময় তাদের প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। এছাড়া ছানাদের খাবারের জন্যও তারা শিকার করে।
গবেষণা দলের প্রধান ড. মার্টিন নিফেলার বলেন, পাখিরা প্রতিবছর পোকামাকড় খেয়ে যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চয় করে তা নিউইয়র্ক শহরের আকারের সমান হবে।
পাখি ছাড়া খুব অল্পসংখ্যক অন্য প্রাণী ক্ষতিকর পোকামাকড় খায়। এদের দলে আছে মাকড়সা ও অন্য পোকামাকড়খেকো প্রাণী।
তবে পাখিদের বিপন্ন হওয়ার কথাও বলেছেন গবেষকরা। ড. নিফেলার বলেছেন, পাখিরা বিপন্ন হুমকির মধ্যে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ বনের সংখ্যা কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিতে রাসায়নিক তীব্রতা বৃদ্ধি, মানুষসৃষ্ট কিছু দুর্যোগ প্রভৃতি।
তিনি আশঙ্কা করে বলেন, এসব বৈশ্বিক হুমকির সমাধান না করা গেলে বাস্তুসংস্থান প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়বে। কেননা পাখিরা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে যে উপকার করে সেটা কমে যাবে।


সম্পাদক: জাহিদ হাসান
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কৃষিবিডি.কম, কৃষিবিডি প্রাইভেট মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসলাম সুপার মার্কেট (২য় তলা), আমলা, মিরপুর, কুষ্টিয়া-৭০৩২।
যোগাযোগ:
০১৭৮০৮২৭৬০০,
info@krishebd.com
mail.krishebd@gmail.com
Crafted with by Softhab Inc © 2021