শীতের ওম, খেজুরের রস

প্রকাশিত: ৩:০৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২১

শীতের ওম, খেজুরের রস

যশোর জেলায় বছরে গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন গুড়-পাটালি উৎপাদিত হয়। জেলায় মৌসুমে রস, গুড় ও পাটালির বাণিজ্য হয় ৬৩ কোটি টাকার বেশি।

‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’ আবহমানকাল ধরে চলে আসা এই প্রবাদটি যশোরের ক্ষেত্রে আজও প্রাসঙ্গিক। খেজুরের রসে গলা ভেজাননি এমন বাঙালি কমই আছেন। খেজুরের এই রস দিয়ে তৈরি গুড়-পাটালি ছাড়া শীতকালটা যেন জমে না। গুড়-পাটালি দিয়ে তৈরি পিঠাপুলি-পায়েসের নাম শুনলেই জিবে পানি আসে।

এই খেজুরের গুড় উৎপাদন এখন বাণিজ্যিক রূপ পাচ্ছে। আবার সনাতন বাজারব্যবস্থার বাইরে খেজুরের গুড়ের অনলাইন বাণিজ্যও হচ্ছে।

খেজুরের গুড়ের পিঠাপুলি-পায়েস দেশের শত বছরের ঐতিহ্য। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক সতীশচন্দ্র মিত্রের যশোহর-খুলনার ইতিহাস গ্রন্থে (১৯১৪ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত) যশোরের খেজুরের গুড়ের উল্লেখ আছে। ওই বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯০০-০১ সালে পূর্ব বঙ্গে খেজুরের গুড় তৈরি হয়েছে প্রায় ২২ লাখ মণ, যা প্রায় ৮২ হাজার টনের সমান।