কুষ্টিয়ায় ৪ দিনের কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

প্রকাশিত: ৯:০৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২৫

কুষ্টিয়ায় ৪ দিনের কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

“কৃষি হোক অধিক লাভ ও সম্মান জনক পেশা” শ্লোগানকে ধারণ করে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের উদ্যোগে ৪ দিনের কৃষি উদ্যোক্তা কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া খামার বাড়ি কর্মশালা মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. শওকত হোসেন ভুঁইয়া। কর্মশালার উদ্বোধনীর সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিধ রবিউল ইসলাম, অতি: উপপরিচালক ওয়াহিদুজ্জামান, আব্দুল করিম, প্রকৌশলী উম্মে উমারা, ইমরুল পারভেজ প্রমুখ । শতাধিক কৃষি উদ্যোক্তা নারী পুরুষের অংশ গ্রহনে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষন কর্মশালা আগামী শুক্রবার শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক।

উদ্বোধনকালে উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. শওকত হোসেন ভুঁইয়া বলেন, ‘এখন আর খোরপোষ কৃষির বৃত্তে আটকে থাকার দিন শেষ। কৃষিকে অধিক লাভজনক বা মুনাফা আয়ের খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই দেশব্যাপী বিস্তৃত পরিসরে কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সমন্বয়ে কৃষি খাতকে টেকসই অর্থনীতির প্রধান ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি। ইতোমধ্যে সরকার এজাতীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে যশোর কৃষি অঞ্চলকে দেশের আধুনিক ও লাভ জনক কৃষি অঞ্চল হিসেবে সফলতার স্বাক্ষর রাখছে।

তরুণ কৃষি উদ্্েযাক্তা মিরপুর উপজেলার মধু মামুন বলেন, ‘যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে আইটেমওয়ারি প্রশিক্ষন নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সংখ্যক কৃষি উদ্যোক্তা সাফল্যের সাথে উচ্চমূল্যের ফসল বা পণ্য উৎপাদন করে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেকার যবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ভিনদেশী অর্থের উৎসের দিকে চেয়ে না থেকে সোনাফলা মাটির এই দেশে কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠার যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে তার সফল বাস্তবায়নে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এজাতীয় কর্মশালার বেশি বেশি আয়োজন করা দরকার’।

প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিধ রবিউল ইসলাম বলেন, ‘প্রচীন পদ্ধতির খোরপোষ কৃষি খাতকে অধিক লাভ জনক ও সম্মান জনক পেশা হিসেবে দেশের কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করে আধুনিক কৃষির গোড়া পত্তনই হবে এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কৃষক নিজেই যাতে বুঝতে পারে যে, তার কৃষি কেবলই তার নিজের পরিবারে মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার অবদান রাখার সম্ভাব্য পথ সৃষ্টি হয়েছে। এই কাজটি সহজতর করে কৃষি খাতকে অধিক লাভজনক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প কাজ করছে’। যার সুফল ইতোমধ্যে বাজারে উচ্চমূল্যে অনেক দেশীয় উৎপাদিত বিদেশী ফল ও সব্জি জাতীয় পন্যের সহজলভ্যতা দেখা যাচ্ছে।