চুয়াডাঙ্গায় অ্যাভোকাডো’র উপরে মাঠ দিবস

প্রকাশিত: ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২৩

চুয়াডাঙ্গায় অ্যাভোকাডো’র উপরে মাঠ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলায় যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত অ্যাভোকাডো প্রদর্শনীর উপরে মাঠ দিবস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মাঠে মাঠে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপপরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ডঃ কিসিঞ্জার চাকমা।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম ভূইয়া, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোমরেজ আলী, উপজেলা কৃষি অফিসার আফরিন বিনতে আজিজ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আসিফ ইকবাল, পদ্মবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলম মন্ডল প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার কায়জার আলী, উপসহকারী কৃষি অফিসার আমিরুল ইসলাম রাসেল, শেফালী খাতুনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় কৃষক/কৃষানীরা।


মাঠ দিবসে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যেসব বিদেশি ফল চাষ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তার মধ্যে অ্যাভোকাডো অন্যতম। অন্যান্য ফলের তুলনায় এ ফলের মিষ্টতা কম হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অতি উপযোগী। এ ফলের আকার অনেকটা পেয়ারা বা নাশপাতির মতো। একেকটা ফলের ওজন প্রায় ৩০০-৭০০ গ্রাম হয়। ফলের ভেতরে বেশ বড় ডিম্বাকার বীজ থাকে। আহার্য্য অংশ মাখনের মত মসৃণ, হালকা মিষ্টি স্বাদের। একই কারণে অনেকের কাছে এটি মাখন ফল নামে পরিচিত। পেঁপের মতো কাঁচা-পাকা ফল, সবজি, ভর্তা, সালাদ, শরবতসহ ভিন্নতরভাবে খাওয়ার সুবিধা আছে। টোস্টে মাখনের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো ক্রিম দিয়ে খাওয়া, সালাদে, স্যান্ডুইচে মেয়নেজের পরিবর্তে অ্যাভোকাডোর ক্রিম দিয়ে আহার করা স্বাস্থ্যসম্মত। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় এবং উচ্চমুল্যের ফসল। আগামীতে এর চাষ দিনদিন আরো বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে বক্তারা এ ফলের চাষাবাদে কৃষকদের মাঝে প্রদর্শনী দেওয়ার জন্য যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পকে ধন্যবাদ জানান।