কুষ্টিয়া ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৫৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২৪
‘আমি চলে যাবো বলে, চালতা ফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে, নরম গন্ধের ঢেউয়ে?’ চালতা ফুলকে ঘিরে এমনটাই লিখেছিলেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। চালতা ফুলের দেখা মেলে বর্ষায়, বিচরণ চলে শীতকাল পর্যন্ত। একসময় রাস্তার পাশে, পুকুরপাড়ে বা বাড়ির আঙিনায়, বনে-বাঁদাড়ে চালতা গাছের দেখা মিলতো। বর্তমানে সে দৃশ্য খুব কমই চোখে পড়ে।
আষাঢ়-শ্রাবণে ফোটে ফুল। সুগন্ধি ফুলে থাকে ৫টি পাপড়ি। পাপড়িগুলো থেকেই ফল হয়। ফুল সাদা রঙের। ফোটার পর ফুলে মৌমাছি বসে। মৌমাছি মধু আহরণে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে বসে চালতার পরাগায়ন ঘটালে আস্তে আস্তে ফলে পরিণত হয়।
ফলটি কাঁচাও যেমন খাওয়া যায়, তেমনই চালতার আচার সব বয়সের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। গাছটি ওষুধি গুণসম্পন্ন। গাছটি মাঝারি ও চিরহরিৎ জাতীয় উদ্ভিদ। উচ্চতায় ১৫ মিটার পর্যন্ত হয়। গায়ে লাল রঙের চকচকে বাকল থাকে। পাতার কিনারা খাঁজকাটা। শিরা উঁচু সমান্তরাল।
গাছ ওষুধি গুণাগুণসম্পন্ন এবং ফুল দেখতে অত্যন্ত সুন্দর, সুগন্ধযুক্ত এবং পরিবেশবান্ধব। চালতায় আছে প্রচুর ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলে স্বাস্থ্যহানিতেও যথেষ্ট উপকারে আসে। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এ গাছ লাগানো প্রয়োজন। পরিবেশবান্ধব ও বিপন্ন এ গাছকে রক্ষা করা জরুরি।


সম্পাদক: জাহিদ হাসান
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কৃষিবিডি.কম, কৃষিবিডি প্রাইভেট মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।
ইসলাম সুপার মার্কেট (২য় তলা), আমলা, মিরপুর, কুষ্টিয়া-৭০৩২।
যোগাযোগ:
০১৭৮০৮২৭৬০০,
info@krishebd.com
mail.krishebd@gmail.com
Crafted with by Softhab Inc © 2021